স্বাস্থ্য বিভাগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্বাস্থ্য বিভাগ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

আত্মজৈবনীক সাক্ষাৎকার] ব্যাতিক্রমী চিকিৎসক-শিক্ষাবিদ -অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত

সূচীপএ : প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
[

সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনিস রায়হান


‘আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তোমরা এখন সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা!’
এখনকার সময়ে কমবেশি সবাই লেখাপড়া করে। তবে এরকম একটা সময় ছিল, যখন চারপাশে সব লেখাপড়া না করা মানুষ- কিন্তু নতুন প্রজন্মের ওপর দুনিয়া জয় করার প্রত্যাশা। চারপাশে অনেক সমস্যা, সর্বত্র নেই-নেই হাহাকার। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছে সবার আশা, তারা সবকিছু পাল্টে দেবে। এরকমই একটা সময়ে কুমিল্লার চান্দিনায় জন্ম নেন তিনি, ১৯৫৩ সালে। কাল পরম্পরায় যিনি পরিচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত নামে। কালের প্রত্যাশা পূরণ করেছেন, শুধু তাই নয়, ছাড়িয়ে গেছেন কালের গণ্ডিটাও। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা এই চিকিৎসককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। যদিও এই সাক্ষাৎকার থেকে পাঠক তাকে নতুন করে চিনবেন, এমন মন্তব্য জোর দিয়েই করা যায়।

প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দেশের অনগ্রসর, বঞ্চিত, অসহায়, প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক এবং জন্মগতভাবে কিংবা অন্য যেকোন কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর কল্যাণ, উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতায়নের জন্য বহুমাত্রিক সেবা প্রদান করছে।

প্রতিবন্ধী সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দেশের অনগ্রসর, বঞ্চিত, অসহায়, প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক এবং জন্মগতভাবে কিংবা অন্য যেকোন কারণে শারীরিক ও মানসিকভাবে সমস্যাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর কল্যাণ, উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ ও ক্ষমতায়নের জন্য বহুমাত্রিক সেবা প্রদান করছে।

কুমিল্লা শহরে অবস্থিত হাসপাতাল/ক্লিনিকের নাম ও ঠিকানা

কুমিল্লা শহরে অবস্থিত হাসপাতাল/ক্লিনিকের নাম ও ঠিকানা

প্রাথমিক চিকিৎসা/প্রতিবিধান এর যাবতীয় ব্যাসিক …+ এর উপর ৮০ পৃষ্ঠার পরিপূর্ণ বাংলা বই (ছবি সহ)

প্রাথমিক চিকিৎসা বা প্রতিবিধান চিকিৎসাশাস্ত্রের একটি অংশ। প্রাথমিক চিকিৎসা হচ্ছে হঠাৎ কোনো পীড়া বা দৈব দুর্ঘটনায় হাতের কাছের জিনিসের দ্বারা রোগীকে প্রাথমিকভাবে সাহায্য করা, যাতে ডাক্তার আসার আগে রোগীর অবস্থার অবনতি না ঘটে বা জটিলতা সৃষ্টি না হয়। অর্থাৎ যেকোনো আকস্মিক দুর্ঘটনায় প্রথম শুশ্রূষা এবং সংক্ষিপ্তউপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা / প্রতিবিধান বলা হয়।
▬▬▬▬▬▬

রক্তক্ষরণ :

চিকিৎসা বিষয়ক বেসিক বাংলা ইবুক (pdf format) [ ভেষজ , হারবাল, হোমিওপ্যাথি ও এলোপ্যাথিক চিকিৎসা ]

ভেষজ, কবিরাজী ও হারবাল চিকিৎসা বিষয়ক পরিপূর্ণ বাংলা ই-বুক বা  PDF বই…

আমাদের উপমহাদেশে হাজার হাজার বছর ধরে যে ভেষজ শাস্ত্র চলে আসছে তাতে রয়েছে নানা রোগ নিরাময়ের প্রাকৃতিক উপায়।বর্তমানে উন্নত বিশ্বেও এইসব হারবাল চিকিৎসা নিয়ে তৈরী হচ্ছে ব্যপক আগ্রহ।সেই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন রোগের সমস্যা সমাধানে আপনাদের জন্য আরো কিছু কার্যকরী পন্থা উল্লেখ করা হলো।আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিভিন্ন রোগের প্রতিকার হিসাবে পাওয়া যায় অনেক নামি দামি ওষুধ।কিন্তু আমাদের হাতের কাছের বিভিন্ন প্রকৃতিক জিনিস দিয়ে যদি করা যায় এর নিরাময়, তাহলে বাড়তি টাকা খরচ করার কি দরকার।

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিষয়ক সবার জন্য প্রয়োজনীয় ১৫০ পৃষ্ঠার সম্পূর্ণ বাংলা ই-বুক বা Pdf বই(+ মোবাইল ভার্সন )

এই ই-বুকের সুবিধাঃ  
ক্যাটগরী ভিত্তিক হওয়ায় সহজেই পড়তে পারবেন ও বুঝতে পারবেন।
তাছাড়া এই বইতে বুকমার্ক মেনু ও হাইপারলিঙ্ক মেনু যুক্ত আছে আপনাকে কোন অধ্যায়ে যেতে মাউসের চাকা ঘুরানো লাগবে জাস্ট ওই অধ্যায়ের নামের উপর ক্লিক করলেই হবে ...।
এই ই-বুক সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে ...
আপনার নিজ চোখে অনলাইন লাইভ ভিউ দেখে আসুন। তাহলেই সব বুঝতে পারবেন। তারপর সিদ্বান্ত নিন আপনার মেগাবাইট খরচ করে ডাউনলোড করবেন কিনা ... !!!
ভদ্রতার খাতিরে কিছু কথাঃ 
স্বাস্থ্য মানুষের মৌলিক অধিকার। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে আমাদের দেশের বিপুল জনগোষ্ঠী সেই অধিকার থেকে বঞ্চিত। চিকিৎসকের তুলনায় জনসংখ্যা অনেক বেশি বলে একজন চিকিৎসকের পক্ষে একই সময়ে অনেক রোগীর সেবা প্রদানও সম্ভব নয়। তাই ছোট ও সাধারন রোগ গুলোর জন্য ডাক্তারের কাছে না গিয়ে একটু সচেতন ভাবে পরিচর্যা করলেই সুস্থ হওয়া যায় … কিন্তু কিভাবে ও কিধরণের পরিচর্যা করবেন তা জানার জন্য আগে আপনাকে জানতে হবে এইটা কি ধরনের সমস্যা … আর এর প্রতিকারের জন্য কি করা উচিত …
তাই বলা হয় "সুস্থ ভাবে বাঁচতে জানতে হবে” আরো বলা হয়  Prevention is better than cure."  অর্থাৎ নিরাময়ের চেয়ে প্রতিকার ভালো। ব্যাক্তি সচেতনতা দিতে পারে নিরোগ শরীর। আর নিরোগ শরীরের জন্য চিকিৎসার কোন প্রয়োজন নেই। আমরা. প্রত্যেকে যদি নিজে কেবলমাত্র নিজের দায়িত্ব নেই তবে রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। কিছু নিয়ম-নীতি মেনে চললে অর্জন হবে সুস্বাস্থ্য, বেচে যাবে বিপুল পরিমাণ চিকিৎসা খাতের খরচ।
বাংলাভাষায় সহজবোধ্য চিকিৎসা বিষয়ক তেমন ই-বুক নেই। এসব বিবেচনা করে রচিত হয়েছে, “A Complete bangla Handbook for Self Diagnosis and Treatment” প্রাথমিক চিকিৎসা সহায়িকা’ নামক গ্রন্থটি। মোট কথা এই বইটা সবার সংরক্ষণে রাখা উচিত … কোন কোন সময় এই ই-বুক অনেক বড় বিপদের হাত থেকে রক্ষা করবে … তাছাড়া বইটি পরিবারে সংগ্রহ করে রাখার মতোই। ধন্যবাদ।

বইয়ের নাম “মানবব্যাধি ও চিকিৎসা সহায়িকা”

A Complete bangla Handbook for Self Diagnosis and Treatment.rar
সাইজঃ ১৪ এমবি
পৃষ্ঠা সংখ্যাঃ ১৫০
টেক্সট ফরম্যাটঃ ইউনিকোড

ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://www21.zippyshare.com/v/MmKZO2Qu/file.html
অথবা
https://www.mediafire.com/?b1n1azfog4lwpss

মোবাইল ভার্সনঃ

A Complete bangla Handbook for Self Diagnosis and Treatment (Mobile Version).pdf
ডাউনলোড লিঙ্কঃ
http://www21.zippyshare.com/v/MeJrsPAz/file.html
অথবা
https://www.mediafire.com/?4atgr5lxqddt3pn

চোখ চুলকানো সমস্যার সমাধান

শসায় আছে ‘অ্যান্টি-ইরিটেশন প্রোপার্টিজ’ যা জ্বালা-পোড়া, ফোলাভাব, চুলকানো ইত্যাদি সমস্যায় দারুণ কার্যকর।
তাই চোখে চুলকানো বা যেকোনো সমস্যায় একটি শসা ভালোভাবে ধুয়ে, পাতলা টুকরা করে কেটে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেফ্রিজারেটরে রেখে দিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে দু’চোখের উপর দিয়ে ১০ মিনিট রাখতে হবে।
দিনে পাঁচবার এইভাবে শসা ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যাবে।

কম্পিউটার ভিশন সিনড্রোম বা সিভিএস

• বেশি বেশি চোখের পাতা ফেলুন। প্রতি বিশ সেকেন্ড পর একবার। মাঝে মধ্যে তাকান ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে।
• মাঝে মাঝে কম্পিউটার স্ক্রিনকে ‘হাই ফাইভ’ দিন। যদি খুব সহজে পারেন তবে জেনে নিন আপনি খুব কাছে বসেছেন। এবার একটু সরে বসুন।

গরমে চোখের অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে

গরমে চোখের অ্যালার্জি থেকে বাঁচতে- 
১. শুষ্ক মৌসুমে যখনই বাইরে বের হবেন ধূলোবালি থেকে রক্ষা পেতে নাকে-মুখে মাস্ক এবং চোখে সানগ্লাস ব্যবহার করবেন।

কোন খাবারে পুষ্টিমান কত


চিকিত্সক বা পথ্যবিদদের ব্যবস্থাপত্রে খাবারের পরিমাণ সংক্রান্ত নির্দেশাবলির ক্ষেত্রে প্রায়ই লেখা থাকে ‘এক পরিবেশন’ বা ‘দুই পরিবেশন’ পরিমাণ খাবার খাওয়ার কথা। ইন্টারনেট বা ডায়েট চার্টের বিভিন্ন সাইটে ঢুঁ মারলেও চোখে পড়ে সবজি ‘টু সার্ভিং’ বা ‘ওয়ান সার্ভিং’। ডায়াবেটিস বা ক্রনিক রোগে আক্রান্ত রোগীদের খাবারের তালিকাতেও প্রায়ই দেখা যায় ‘ফুড এক্সচেঞ্জ’, ‘পরিবেশন’ বা ‘সার্ভিং’ সংক্রান্ত নির্দেশনা।
এ ধরনের শব্দাবলি বা পরিমাণের উল্লেখ অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ মানুষের জন্য কিছুটা বিভ্রান্তিকর হয়ে ওঠে। বিশেষ করে যারা ইন্টারনেটের বিভিন্ন সাইট থেকে ডায়েট চার্ট সংগ্রহ করে তা অনুসরণের চেষ্টা করেন, তাদের জন্য ‘ফুড এক্সচেঞ্জ’ বা ‘সার্ভিং’-এর অর্থ অনেক সময়ই অজানা বা অধরা থেকে যায়।

কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য দায়ী যে ৬টি খাবার


কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে সাধারণ দৃষ্টিতে খুব বড় সমস্যা মনে না হলেও এর থেকে কিন্তু মারাত্মক কিছু শারীরিক সমস্যার উৎপত্তি হতে দেখা যায়। কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে এসিডিটি, ক্ষুধা, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ, মাথা ব্যথা, বিষণ্নতা, ব্রণ, মুখে আলসারের মতো ছোটোখাটো সমস্যা হতে মারাত্মক পাইলসের সমস্যাও হতে পারে। তাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকে অবহেলা করবেন না একেবারেই। অনিয়মিত জীবনযাপন, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অনিদ্রা, কায়িক শ্রমের অভাব ইত্যাদির কারণে হজমের সমস্যা এবং তা থেকে দেখা দেয় কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা। সুতরাং চলতে হবে বুঝে শুনে এবং সেই সাথে খাবারও খেতে হবে অনেক বুদ্ধি করে। কারণ কিছু খাবার রয়েছে যা কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা বাড়ায়। যদি এই খাবারগুলো প্রায় নিয়মিত খেতে থাকেন তাহলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দেখা দিতে পারে অচিরেই।

মরণব্যাধি ক্যান্সারের যে ১০টি সতর্কীকরণ লক্ষণ অবহেলা করবেন না


ধূমপান, সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, রাসায়নিক পদার্থ, বাড়তি ওজন সহ আরও নানান কারণে কান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন যে কোনো মানুষ। অনেক সময় ক্যান্সারের লক্ষণ গুলো ভালো ভাবে না জানার কারণে পুরো দেহে বাজে ভাবে ছড়িয়ে পরে ক্যান্সার। যার ফলে আর চিকিৎসা করে ভালো করা সম্ভব হয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার মাধ্যমে ক্যান্সার নির্মূল করা সম্ভব। কিন্তু লক্ষণগুলো দেখেও অবহেলা করলে তা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই ক্যান্সারের কিছু সতর্কীকরণ লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই। লক্ষণগুলো দেখা দেয়া মাত্রই শরণাপন্ন হতে হবে ডাক্তারের কাছে। পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করতে হবে এই মরণব্যাধিটি।

হাতের তালু ঘামা প্রতিরোধের উপায়

হাতের তালু একটু আধটু ঘামতেই পারে। কিন্তু অতিরিক্ত তালু ঘামা যে কারো জন্যই অত্যন্ত বিব্রতকর একটি সমস্যা। হাতের তালু ঘামলে যে কেবল কাজকর্মে সমস্যা হয়, সেটাই নয়। অন্যের সামনেও বিব্রতকর অবস্থায় পড়তে হয় অকারণেই? কী করবেন তালু ঘামা প্রতিরোধ করতে? আছে ঘরোয়া উপায়। জেনে নিন খুব সহজ ৪টি কৌশল।

শিশুর পুষ্টিকর খাবার

সুষম খাবারের অভাবে শিশুর বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে, যেগুলোকে শিশুর অপুষ্টিজনিত রোগ বলা হয়। অপুষ্টি হলে শিশুর ঘন ঘন অসুখ-বিসুখ হয়ে থাকে। শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। প্রত্যেক নবজাতক শিশুর পুষ্টি তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে
১.  গর্ভাবস্থায় মায়ের পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ।
২.  ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর শিশুকে ঠিকমত শাল দুধ খাওয়ানো।
৩. পরিষ্কার পরিছন্নতা, পুষ্টিকর ও সহজপাচ্য খাবার, পরিবেশ ইত্যাদি যথোপযুক্ত আছে কিনা।

শরীর বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার

শরীর বৃদ্ধির জন্য ক্যালসিয়াম জাতিয় খাবার অপরিহার্য। শরীরের জন্য ক্যালসিয়াম জরুরি উপাদানআমাদের আসেপাশে প্রচুর পরিমান এর ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার আছে কিন্তু আমরা অনেক এই চিনি না বা জানি না ক্যালসিয়াম জিনিস টা কি?
ক্যালসিয়াম এর অভাব এ অনেক রকম অসুখ হতে পারে।
ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ শাক হলো: লালশাক, কচুশাক, পালংশাক ও মেথিশাকএ ছাড়া সবুজ শাকেও রয়েছে অল্প পরিমাণে ক্যালসিয়াম

যাদের ওজন কম তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু টিপস

যাদের বয়স অনুযায়ী শরীর এর ওজন অনেক কম তাদের চিন্তার শেষ থাকে না।অনেক এ হইতো লজ্জায় কার সাথে মিশতে পারে না। বয়স হিসাবে ওজন কম থাকায় অনেক এ ডাক্তার এর পরামর্শ নিয়ে অনেক ঔষধ খেয়েছেন,তবুও ফল পাচ্ছেন না।একটা ডাক্তার এর ঔষধ সেবন করে কাজ না করলে নতুন ডাক্তার এর ঔষধ সেবন করেছেন।তবুও ভাল ফল পাননি।তারা এই টিপস টি দেখতে পারেন আশা করি ভাল ফল পাবেন।

কোন খাবারে কেমন পুষ্টি ও পুষ্টিকর খাবার এর তালিকা

কোন খাবারে কেমন পুষ্টি ও পুষ্টিকর খাবার এর তালিকা


একজন মানুষের প্রতিদিন ১৮০০ ক্যালরি প্রয়োজন হলেও পাচ্ছেন ১২০০ক্যালরির মত৭৬ ভাগ পরিবারে ক্যালরির অভাব রয়েছেওজন বাড়াতে পুষ্টিকর খাবার এর ভূমিকা অতুলনীয়।বিশেষ করে  হার্ডগেইনার যারা জিম এ ব্যায়াম করেন তাদেরকে বলছি।

যারা মাসেল বাড়াতে চান কিন্তু ফ্যাট বাড়াতে চান না, তারা ময়দা, গোল আলু, যে কোন সুগার জাতীয় খাবার, লবনাক্ত খাবার, তৈলাক্ত খাবার, মসলা জাতীয় খাবার এইসব খাবার যতোটা পারবেন এড়িয়ে চলবেন

রোগ নির্ণয়ের বিভিন্ন পরীক্ষা বা ডায়াগনোসিস

এনজিওগ্রাম (Angiogram)

এনজিওগ্রাম এমন একটি পরীক্ষা যার মাধ্যমে শরীরের ধমনী ও শিরা গুলোকে পরোক্ষ ভাবে দেখা যায়। পরোক্ষ ভাবে বলা হচ্ছে এই কারনে যে ধমনী ও শিরা প্রত্যক্ষ ভাবে দেখবার ও সুযোগ রয়েছে। প্রচলিত অর্থে আমরা Angiogram বলতে যা বুঝি তা হলো এক্সরের মাধ্যমে শরীরের ধমনী গুলোকে দেখা। রোগ নির্ণয়ে সচরাচর এনজিওগ্রাম করে শিরা দেখা হয়না, হলে সেটাকে বলে ভেনোগ্রাম (Venogram)।
এমনিতে সবার কাছে এনজিওগ্রাম মানেই হলো হার্টের রোগ নির্নয়ের একটি পরীক্ষা, ঠিকই আছে হার্টে ইশকেমিক হার্ট ডিজিজ হলে এনজিওগ্রাম পরীক্ষাটি করানো লাগতে পারে তবে তাকে বলে করোনারি এনজিওগ্রাম (CAG - coronary angiogram)। করোনারি এনজিওগ্রাম করে হৃদপিন্ডের ধমনী সরু হয়ে গেছে কিনা বা এতে কোনো block আছে কিনা তা দেখা হয়।

কিছু আধুনিক চিকিৎসা ও অপারেশন

হার্নিয়া অপারেশন

আমাদের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ মাংসপেশী ও পর্দা দিয়ে তৈরী দেয়াল দিয়ে ঘেরা থাকে, কোনো কারনে যদি সেই দেয়াল দুর্বল হয়ে যায় এবং তা দিয়ে কোনো অঙ্গ থলের মতো বেরিয়ে আসে তাকে হার্নিয়া (Hernia) বলে। সাধারন অর্থে যদিও সবাই হার্নিয়া শব্দটি শুনলে ধরে নেয় এটা অন্ডকোষেই শুধু হয়, হার্নিয়া কিন্ত কুচকিতে, উরুর কাছে, কোমড়ে, পেটের মাঝ বরাবর, পেটের মধ্যে এমন কি বুকের মধ্যেও হতে পারে। তবে অধিকাংশ হার্নিয়াই কুচকিতে হয় এবং একে ইনগুইনাল (Inguinal) হার্নিয়া বলেএই হার্নিয়া বড় হতে হতে একসময় অন্ডকোষে চলে যায় এজন্য অনেকেই ভাবে হার্নিয়া বুঝি অন্ডকোষ বড় হয়ে যাওয়ার একটি রোগ
সব ধরনের হার্নিয়ার একমাত্র চিকিৎসা অপারেশন করে দুর্বল দেয়ালটি সারিয়ে নেয়াতবে হার্নিয়া খুব ছোটো হলে ওজন কমিয়ে এবং কিছু নিয়ম কানুন মেনে অনেকদিন অপারেশন না করিয়ে থাকা যায়আবার হার্নিয়া খুব বড় হয়ে গেলেও সাথে সাথে অপারেশন করানো যায়না ওজন কমিয়ে, ডায়াবেটিস বা এই জাতীয় রোগ থাকলে তা নিয়ন্ত্রন করে তবেই তাকে সফল ভাবে সারানো যায়
^উপরে যেতে ক্লিক করুন