সূচীপএ : প্রচ্ছদ কাহিনী/প্রতিবেদন
[
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনিস রায়হান
‘আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তোমরা এখন সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা!’
এখনকার সময়ে কমবেশি সবাই লেখাপড়া করে। তবে এরকম একটা সময় ছিল, যখন চারপাশে সব লেখাপড়া না করা মানুষ- কিন্তু নতুন প্রজন্মের ওপর দুনিয়া জয় করার প্রত্যাশা। চারপাশে অনেক সমস্যা, সর্বত্র নেই-নেই হাহাকার। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছে সবার আশা, তারা সবকিছু পাল্টে দেবে। এরকমই একটা সময়ে কুমিল্লার চান্দিনায় জন্ম নেন তিনি, ১৯৫৩ সালে। কাল পরম্পরায় যিনি পরিচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত নামে। কালের প্রত্যাশা পূরণ করেছেন, শুধু তাই নয়, ছাড়িয়ে গেছেন কালের গণ্ডিটাও। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা এই চিকিৎসককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। যদিও এই সাক্ষাৎকার থেকে পাঠক তাকে নতুন করে চিনবেন, এমন মন্তব্য জোর দিয়েই করা যায়।
![]() |
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন আনিস রায়হান
‘আমাদের যুগে আমরা যখন খেলেছি পুতুল খেলা, তোমরা এখন সেই বয়সেই লেখাপড়া কর মেলা!’
এখনকার সময়ে কমবেশি সবাই লেখাপড়া করে। তবে এরকম একটা সময় ছিল, যখন চারপাশে সব লেখাপড়া না করা মানুষ- কিন্তু নতুন প্রজন্মের ওপর দুনিয়া জয় করার প্রত্যাশা। চারপাশে অনেক সমস্যা, সর্বত্র নেই-নেই হাহাকার। কিন্তু নতুন প্রজন্মের কাছে সবার আশা, তারা সবকিছু পাল্টে দেবে। এরকমই একটা সময়ে কুমিল্লার চান্দিনায় জন্ম নেন তিনি, ১৯৫৩ সালে। কাল পরম্পরায় যিনি পরিচিত হয়েছেন অধ্যাপক ডা. প্রাণ গোপাল দত্ত নামে। কালের প্রত্যাশা পূরণ করেছেন, শুধু তাই নয়, ছাড়িয়ে গেছেন কালের গণ্ডিটাও। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা এই চিকিৎসককে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়ার কিছু নেই। যদিও এই সাক্ষাৎকার থেকে পাঠক তাকে নতুন করে চিনবেন, এমন মন্তব্য জোর দিয়েই করা যায়।

ধূমপান,
সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি, রাসায়নিক পদার্থ, বাড়তি ওজন সহ আরও নানান কারণে
কান্সারে আক্রান্ত হতে পারেন যে কোনো মানুষ। অনেক সময় ক্যান্সারের লক্ষণ
গুলো ভালো ভাবে না জানার কারণে পুরো দেহে বাজে ভাবে ছড়িয়ে পরে ক্যান্সার।
যার ফলে আর চিকিৎসা করে ভালো করা সম্ভব হয় না। প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসার
মাধ্যমে ক্যান্সার নির্মূল করা সম্ভব। কিন্তু লক্ষণগুলো দেখেও অবহেলা করলে
তা ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাই ক্যান্সারের কিছু সতর্কীকরণ লক্ষণ
অবহেলা করা উচিত নয় একেবারেই। লক্ষণগুলো দেখা দেয়া মাত্রই শরণাপন্ন হতে হবে
ডাক্তারের কাছে। পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে সনাক্ত করতে হবে এই
মরণব্যাধিটি।
সুষম
খাবারের অভাবে শিশুর বিভিন্ন ধরনের রোগ হতে পারে, যেগুলোকে শিশুর
অপুষ্টিজনিত রোগ বলা হয়। অপুষ্টি হলে শিশুর ঘন ঘন অসুখ-বিসুখ হয়ে থাকে।
শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি নিয়মিত পুষ্টিকর খাবার দিতে হবে। প্রত্যেক
নবজাতক শিশুর পুষ্টি তিনটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে